শাশুড়ীর সাথে চোদন লীলা
আব্বু: ইমন তোমাকে একটু ইন্ডিয়া যেতে হবে।
তখন আমার শাশুড়ি আম্মু পরিস্থিতি সামাল দিয়ে হোটেল বয় কে বলল-
আম্মু- আরে ও মজা করেছে আপনি স্বামী স্ত্রী লেখেন আর তাড়াতাড়ি রুমের চাবি টা দেন আমার ফ্রেশ হতে হবে।
আমিতো পুরা থ খেয়ে রইলাম।তখন আমার শাশুড়ি রাগের স্বরে আমাকে বললো-
আম্মু: ইমন তাড়াতাড়ি চলো ভালো লাগতেছে না রুমে যেতে হবে এখনি।
আম্মু:এইটা বলে কাপল বেড,একজনের উপর আরেকজন উইঠা শুইয়া ঘুমাইতে হবে। বালের রুম বুকিং দিছে।
আম্মু গোসল করতে গেল আর আমি জুথিকে ফোন দিলাম।
জুথি:আরে ব্যাথা পাইছি,তোমরা কি পৌছাইছো?
জুথি:আচ্ছা তাহলে ফ্রেশ হয়ে পরে ফোন দাও ইসসসস…
আমি:আরে কি সমস্যা?ব্যাথা কিসে পাইছো?
জুথি:কিছুনা বাল।(কাপা কাপা গলায় বলে ফোন কেটে দিলো)
আম্মু:থাক আর ফোন দিও না ঘুমাও। মোবাইল চালাইও না এখন।
আমি:আব্বু আপনি জুথির ফোন ধরলেন?জুথি কোথায়?
আব্বু:জুথি ঘুমাচ্ছে বাবা,কেনো কি হইছে?
আমি কিছু চিন্তা করার সময় পেলাম না কারন আম্মুর গোঙ্গানী আর কাপুনি আরো বাড়তেছিলো।
সাত-পাচ না ভেবে আব্বুকে আম্মুর সমস্যার কথা বললাম।
আব্বু:কি বলো বাবা!তাহলে তো সমস্যা আমিওতো সাথে নাই এখন কি করা যায়?(খুব অস্থির হয়ে বললো)
আমি:আব্বু আম্মুর কি হইছে বলেন,আর আপনি নাই তো কি হইছে আমিতো আছি বলেন কি ঔষধ নিয়ে আসবো?
আমি:কেনো সম্ভব না আব্বু?আমাকে বলেন কি উপায়?
আব্বু :তোমার আম্মুকে বডি হিট থেরাপি দিতে হবে বাবা।
আমিতো শুনে থ খেয়ে গেলাম,এটা কিভাবে করি।ফোন কেটে দিলাম আর ভাবতে থাকলাম কিভানে কি করবো।আমা আর কোনো উপায় না দেখে আম্মুর পাশে শুয়ে সাধারনভাবে যেভাবে মাকে ছেলে জড়িয়ে ধরে সেভাবেও ধরলাম।১০ মিনিট এইভাবে থাকলাম কোনো উন্নতি দেখলাম না।তখন আমার ডান হাতের উপর আম্মু মাথা রেখে আমার বুকের সাথে ঠেকিয়ে বাম পা কোমড়ে উঠিয়ে পেচিয়ে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলাম।কিন্তু কাপুনি কমতেছে না কারন আমার শরীরে জিন্সের প্যান্ট আর শার্ট পড়া ছিলো আর আম্মুর গায়েতো ঐ কাপড় ই ছিলো।একটা হট মুভির কথা মনে পড়ে গেলো সেখানে নায়িকার ঠান্ডা লাগছিলো তখন নায়ক নায়িকার কাপড়-চোপড় খুলে নিজেও উলঙ্গ হয়ে জড়িয়ে ধরছিলো।আর কিছুই ভাবার সময় পেলাম না সাথে সাথে প্যান্ট শার্ট খুলে ফেললাম।তখন আমার ৬ ইঞ্চি ধন ভয়ে আর চিন্তায় ৩ ইঞ্চি হয়ে ছিলো।যাই হোক এবার আম্মুর শর্ট গেঞ্জি আস্তে আস্তে খুলে দিলাম সাথে সাথে দুধজোড়া বেড়িয়ে এলো চোখের সামনে।জীবনে প্রথম বউ বাদে অন্য কোনো নারীর উম্মুক্ত দুধ বাস্তবে দেখলাম তাও নিজের শাশুড়ী আম্মুর কিন্তু আমার কোনো ফিলিংসই কাজ করলো না।আমার শাশুড়ি আম্মু প্রচুর কাপতেছে তখনো।আমি তাড়াতাড়ি করে আম্মুর টাইলস পায়জামা টেনে একেবারে খুলে ফেললাম।মোবাইলের ফ্লাশের আলোয় আমার শাশুড়ীর খোলা গুদ টা দেখতে পেলাম পুরোটা কালো বালে ভরা গুদ।তবে ঐ মুহূর্তে একটা বিষয় খেয়াল করলাম যে আম্মুর গুদ থেকে রস পড়তেছিলো।যাইহোক আমি আর দেরী না করে আমার শাশুড়ি আম্মুর উপর শুয়ে পড়লাম।আম্মুর দুধগুলো আমার বুকের সাথে লেপ্টে গেলো আর ধন খানা আম্মুর গুদের উপর চাপা খেলো।আমার মাথা আম্মুর মাথার সাথে লাগিয়ে কোলাকোলির মত করে শক্ত করে জরিয়ে ধরলাম।তখন আম্মুর শরীর প্রচন্ড গরম ছিলো।কিন্তু আমি জানি কাপুনি উঠলে শরীর বরফের মতো ঠান্ডা থাকে কিন্তু আম্মুর শরীর তো আগুনের মতো গরম।যাই হোক ৫ মিনিট এভাবে থাকার পর আম্মুর কাপুনি কমে যেতে লাগলো।একটু পরেই আম্মু তার দুই হাত দিয়ে আমাকে জরিয়ে ধরলো।আমারতো পুরো স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে,এইরকম একটা কাপল রুমে উলঙ্গ শাশুড়ির উপর তার পেটের মেয়ের জামাই উলঙ্গ হয়ে জড়াজড়ি করে শুয়ে আছে নির্জন গভীর রাতে বদ্ধ ঘরে।পুরো ব্যাপারটা একটা রোমান্টিক হট পরিস্থিতি হয়ে যাচ্ছে।এইগুলো ভাবতে ভাবতে আমার ধন খানা আস্তে আস্তে জাগতে শুরু করলো,ছোট ৩ ইঞ্চি থেকে ৬ ইঞ্চিতে রূপান্তরিত হতে লাগলো।
আম্মু:বাবা ইমন, উইঠোনা বাবা,আরেকটু শুয়ে থাকো বাবা।
আমি:আম্মু আমার উঠতে হবে,আর এখন আপনি সুস্থ হইছেন চিন্তার কিছু নাই।
আম্মি:না বাবা আরেকটু থাকো,এখনো পুরোপুরি সুস্থ হইনাই।
কিন্তু আমারতো ধন ফেটে যাবার অবস্থা।কোনোভাবে এভাবে থাকা যাবে না।তখন না পারতে আম্মুকে বললাম-
আমি:আম্মু আমার অসুবিধা হচ্ছে,আমার উঠতেই হবে।
আম্মু:কিসের অসুবিধা হচ্ছে বাবা।
আমি:ইয়ে মানে আমার একটা অঙ্গ খুব চাপ খেয়ে আছে,খুব ব্যাথা করতেছে আম্মু।
আম্মু:তোমার কোন অঙ্গ চাপ খেয়ে আছে বলোতো।
আমারতো মাথা গরম হয়ে গেলো,এতো চাপ খাচ্ছে আমার শাশুড়ি কি বুঝে না নাকি?বাধ্য হয়ে বলেই ফেললাম-
আমি:আম্মু আমার প্রস্রাব বের হওয়ার নলটা চেপে আছে।
আম্মু:আচ্ছা এই কথা এটার ব্যাবস্থা আমি করতেছি বাবা তুমি শুয়ে থাকো আমার উপর।
আম্মু-এখন ঠিক আছে বাবা?এখন কি ব্যাথা করতেছে বাবা ইমন?
আম্মু-তোমার অঙ্গটা ভেতরে রেখে দেয়ার জিনিস না বাবা।
আমি-আম্মু আমারতো মাল বেরোবে আমি আর পারছিনা আম্মু।
আমি-আমার কোনো ভাষা নাই আম্মু,যে সুখ পাইছি জীবনেও কোনোদিন পাইনি আম্মু।কিন্তু…
আমি-আজকের এই ঘটনা যদি জুথি জানতে পারে ও অনেক কষ্ট পাবে।ও আমাকে অনেক বিশ্বাস করে।
আম্মু-আর পারছি না বাবা এইবার ঢুকাও আর চোদো জোরে জোরে।
আম্মু মিশনারি পজিশনে শুয়ে ছিলো আর আমি আম্মুর গুদের সামনে হাটুগেড়ে বসে ধনখানা আম্মুর রসে ভেজা গুদে এক ধাক্কায় ঢুকিয়ে দিলাম।আম্মু আহহহহ করে উঠলো।এবার আর কোনো আস্তে আস্তে করলাম না একেবারে শুরু থেকেই হার্ড ফাক কঠিন জোড়ে ঠাপানো শুরু করলাম।আমার তলপেট আম্মুর তলপেটের সাথে এমনভাবে বারি খাচ্ছিলো যে তার শব্দে পুরো ঘর ভরে গেলো ঠাপ ঠাপ ঠাপ ঠাপ ঠাপ ঠাপ ঠাপ ঠাপ ঠাপ ঠাপ ঠাপ শব্দে।
আম্মু:আহ আহ আহহহ আহহ ইসসসসসসসসস উফফফফফফফফফফফফফফ, চোদো আরো জোরে আরো জোরে চোদো আমার গুদ ফাটিয়ে দাও বাবা।
আমি:কেমন লাগতেছে আম্মু?আপনার মেয়ের জামাইয়ের চোদা কি ভালো লাগে?
আম্মু:উমমমমমমমমম…খুব ভালো লাগতেছে সোনা খুব খুব আহহহহহ, অন্যরকম ভালো লাগছে বাবা,এইরকম অনূভুতি অন্য কারোর চোদা খেয়ে আমার হয়নাই আগে।
আমি:আব্বু ছাড়া আরো কেউ আপনাকে চোদছে নাকি আম্মু?(বিস্ময় হয়ে জিজ্ঞাসা করলাম)
আম্মু:বাবা ইসসসসসসসসসস তুমি এখন আমার গুদের দেখা পেয়ে গেছো এখন আর তোমার কাছে গোপন করার কিছু নাই বাবা।তবে সব বলবো পরে আগে চোদো তুমি।
আমার ঠাপের গতি ক্রমাগত বাড়ছে।তখন আম্মুকে জড়িয়ে ধরে আম্মুর দুধগুলা চুষা শুরু করলাম আর ধোন কে আম্মুর গুদের শেষ পর্দা পর্যন্ত ঠাপ দিতে থাকলাম।আমার ধোনের মাথায় মাল এসে গেছে অলরেডি।না পারতে আম্মুকে বললাম-
আমি:আম্মু আমার তো হয়ে যাবে আপনার কি অবস্থা?
আম্মু:আমারো হবে বাবা,তুমি ফেলে দাও আমার গুদের সবচেয়ে গভীরে তোমার মাল ফেলো। আমরা দুইজন একসাথেই হওয়াবো ইমন।আহহহহহহহুহহহহ আমার হচ্ছে বাবা তুমিও ফেলে দাও ইসসসসসসসসসস উফফফফফফফ আহহহহহহহ।
আম্মু আমার ধোনটাকে তার গুদ দিয়ে একদম গিলে নিচ্ছিলো আর নিচ থেকে তলটাপ দেয়া শুরু করলো।আমিও আমার সর্বশক্তি দিয়ে যত গভীরে ধোন ঢুকাতে পারি। দুইজনের শরীর দিয়ে শিরশির করে কাপুনি উঠে শক্ত করে জড়িয়ে ধোন আর গুদের রসে একাকার করে দিলাম।উলঙ্গ হয়েই দুইজন দুইজনকে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে পড়লাম।


Comments
Post a Comment